CCN9: ফ্রোহোল্টের জয়সূচক গোলে তোরেনসেকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে পর্তু চ্যাম্পিয়ন
CCN9 স্পোর্টস ডেস্ক: পেপের ক্রস থেকে ফ্রোহোল্টের হেডই গড়ে দেয় ব্যবধান। তোরেনসেকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তু ২৬ মৌসুমের পর্তুগিজ সুপার কাপের শিরোপা জিতেছে।

CCN9 স্পোর্টস ডেস্ক: পেপের ক্রস থেকে ফ্রোহোল্টের হেডই গড়ে দেয় ব্যবধান। তোরেনসেকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তু ২৬ মৌসুমের পর্তুগিজ সুপার কাপের শিরোপা জিতেছে।

২৬ মৌসুমের পর্তুগিজ সুপার কাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয় পর্তু ও তোরেনসে। প্রথমার্ধে বাঁ দিক থেকে পেপের ক্রসে হেডে ম্যাচের একমাত্র গোল করেন ফ্রোহোল্ট। শেষ পর্যন্ত তোরেনসেকে ১-০ গোলে হারিয়ে পর্তু পর্তুগিজ সুপার কাপের শিরোপা জেতে।

গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা
৩৭’ পেপের সহায়তায় হেডে গোল করেন ফ্রোহোল্ট, পর্তু ১-০ তোরেনসে।
ম্যাচের অন্যান্য ঘটনা
১১’ এ. সিলভার হেড গোলরক্ষক সহজেই ধরে ফেলেন।
১৩’ সান্তোস বাঁকানো শট নিলে বল গোলবারের ওপর দিয়ে যায়।
২১’ ডান দিক দিয়ে বাইলাইনে উঠে ক্রস করে পর্তু, প্রায় ফাঁকা জাল পেয়েও এ. সিলভা ঠিকমতো শট নিতে পারেননি।
২৫’ বক্সে পড়ে যান কস্তা, তবে রেফারি কোনো সিদ্ধান্ত দেননি।
২৯’ পেপের ক্রসে গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়েও বল উড়িয়ে দেন সান্তোস।
১২’ হলুদ কার্ড—ব্রুনো, তোরেনসে; ফাউলের জন্য।
১৮’ হলুদ কার্ড—কিন্তেরো, তোরেনসে; ফাউলের জন্য।
৪৫’ হলুদ কার্ড—সান্তোস, পর্তু; ফাউলের জন্য।
৫৩’ মাথা ঝাঁকিয়ে হেড করেন দ্রামে, গোলরক্ষক বলটি ধরে ফেলেন।
৫৮’ এ. সিলভার ফ্রি-কিক ঠেকিয়ে দেন আদ্রিয়েল।
৬০’ হলুদ কার্ড—রোসারিও, পর্তু; ফাউলের জন্য।
৭৯’ বক্সের বাইরে থেকে এজেভেদোর জোরালো শট অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
৮৭’ জায়গামতো পৌঁছে শট নিলেও বল অনেক ওপর দিয়ে পাঠান জোবি।
কারিগরি পরিসংখ্যান
খেলোয়াড় তালিকা
পর্তুর শুরুর একাদশ: ৯৯-ডি. কস্তা, ৫-বেদনারেক (৪৬’ ২২-ভারেলা), ৪-কিভিওর, ১২-সানুসি, ২০-কস্তা (৮৩’ ৫২-এম. ফের্নান্দেস), ১৩-রোসারিও, ১০-ভেইগা (৭৩’ ১৬-হোয়াং ইন-বম), ৮-ফ্রোহোল্ট, ১৯-এ. সিলভা (৬২’ ২৭-গুল), ১১-পেপে, ৭-সান্তোস (৬৩’ ১৭-সাইন্স)।
পর্তুর বদলি দল: ২৪-আন্দোলিনিয়া, ১৮-পেরেস, ৭৪-মৌরা, ৫২-এম. ফের্নান্দেস, ৬-ইউস্তাকিও, ১৬-হোয়াং ইন-বম, ২২-ভারেলা, ৮৬-আর. মোরা, ১৭-সাইন্স, ২৭-গুল, ৭৭-পিতুশেভস্কি।
তোরেনসের শুরুর একাদশ: ৩১-আদ্রিয়েল, ২-স্তোপিরা, ২২-ব্রুনো (৭৭’ ৪৫-মুতোম্বো), ২৩-ভাসকেস, ৫-দিয়াদি, ৭-জিন, ৮-আলফারো (৮৩’ ৯-জোয়ি), ২৯-কিন্তেরো (৬৭’ ৪৭-বালাজি), ২১-জাতা (৭৭’ ৭৭-রোমেরো), ৬-এজেভেদো, ১৭-দ্রামে (৮৩’ ১৯-জোবি)।
তোরেনসের বদলি দল: ১৬-ওলমেতা, ৪৫-মুতোম্বো, ৩-আলসেদো, ২৮-পেরেস, ১০-কোস্তিনিয়া, ২৬-সিমন্স, ৫৫-ব্রেনো, ৭৭-রোমেরো, ৯-জোয়ি, ১৯-জোবি, ৪৭-বালাজি।